গাজায় চলমান সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউরোপিয়ান ফুটবল সংস্থা (ইউয়েফা) ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় নিষিদ্ধ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে। বিষয়টি নিয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে তারা এগোচ্ছে। এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) একাধিক উৎস নিশ্চিত করেছে।
ইউয়েফার ২০ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির বেশিরভাগ সদস্য ইসরায়েলের সদস্যপদ স্থগিত করার প্রস্তাবকে সমর্থন করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সূত্রগুলো নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি, কারণ বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
যদি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়, তাহলে ইসরায়েলের জাতীয় দল এবং ক্লাবগুলো আন্তর্জাতিক ফুটবলে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এর মধ্যে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোও অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েলের পুরুষ দল আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নরওয়ে ও ইতালির বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে।
ফিফা এই নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপ সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে ট্রাম্প প্রশাসনের সহযোগিতা, বিশেষ করে খেলোয়াড়, কর্মকর্তাদের এবং দর্শকদের ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা, ফিফার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার কোনো উদ্যোগের পক্ষে নয়।
ফিফার নির্বাহী পরিষদের বৈঠক আগামী সপ্তাহে জুরিখে অনুষ্ঠিত হবে। ৩৭ সদস্যবিশিষ্ট এই পরিষদের মধ্যে আটজন প্রতিনিধি উয়েফা থেকে থাকবেন। তবে এই বিষয়ে ফিফা এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
দৈনিক কথা / হোসাইন
