“ইনশাআল্লাহ মাঠে থাকবো” দেশে ফেরার ইঙ্গিত তারেক রহমানের

ছবি : সংগৃহীত


২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিদেশে যাওয়ার আগে তিনি কারাবন্দী অবস্থায় অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশত্যাগের পরও থেমে থাকেনি, তার বিরুদ্ধে একটির পর একটি মামলা দেওয়া হয়।


তবুও বিদেশে থেকেই বিএনপিকে সংগঠিত ও সক্রিয় রেখেছেন তিনি। দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে দলের নেতৃত্বে অংশ নিয়েছেন দূর থেকে, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।


বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তার দেশে ফেরার আলোচনা জোরালো হয়েছে। জানা গেছে, অনেক মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ইতোমধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষ করেছে, ৭০ শতাংশ আসনের তালিকা প্রস্তুত। এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন তারেক রহমান নিজে, তিনি দেশে ফিরবেন কি না, আর ভোটে অংশ নেবেন কি না, সেটি নিয়েই চলছে জল্পনা।


সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তারেক রহমান।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “অবশ্যই অংশ নেব, কেন নেব না ? ইনশাআল্লাহ।”


প্রধানমন্ত্রী পদে তার প্রত্যাশা আছে কি না, এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, “আমি তো একজন রাজনৈতিক দলের কর্মী। রাজনীতি আর নির্বাচনের সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যদি একটি অংশগ্রহণমূলক ও জনগণের সম্পৃক্ত নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়, তাহলে আমি নিজেকে দূরে রাখতে পারবো না। মাঠে থাকবো ইনশাআল্লাহ।”


তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়টি আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, এটি নির্ভর করবে বাংলাদেশের জনগণ ও দলের সিদ্ধান্তের ওপর।”


দলের অভ্যন্তরে অনেকেই মনে করছেন, বিএনপি যদি আগামী নির্বাচনে অংশ নেয় বা সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে নেতৃত্বে তারেক রহমানের ভূমিকাই থাকবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দল ও জনগণ, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন